রিও অলিম্পিক ২০১৬: আলো থাকবে যাদের উপর

বেস্ট বায়োস্কোপ ডেস্ক: আর মাত্র একদিন তারপরেই শুরু হয়ে যাবে ৩১তম অলিম্পিকের আসর। এর আগে রিওতে চলে এসছে অলিস্পিকের তারারা যারা জ্বালবে আলো। আর অলিম্পিক মানেই তারাদের হাতছানি।

এই অলিস্পিকে কেউ তারকা হওয়ার জন্য নামছেন, কেউবা তারকা থেকে মহাতারকা হওয়ার পথে পা বাড়াচ্ছেন। এ মহামিলনমেলায় কত কিছুই না ঘটতে যাচ্ছে।

এদিকে সারা বিশ্ব জুড়ে এই অলিম্পিক তারকাদের অসম্ভবকে সম্ভব করার ক্ষমতাকে পলক করার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে ওই দিনটির জন্য।

আর তাই দর্শকদের জন্য খেলার পূর্বেই একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নেওয়া যাক এবারের মহাতারকাদের:

উসাইন বোল্ট:

লন্ডনের পরেএবার ৩১তম অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিওতে। তাই অলিম্পিকের আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পড়ছেন উসাইন বোল্ট। ১০০, ২০০মি এবং ৪X১০০ মিটার রিলে তিনটি ইভেন্টেই আবারও সোনার পদক জয়ের লক্ষ্যে দৌঁড়বেন তিনি।

‘ট্রিপল ট্রিপল’ এর হাতছানিও রয়েছে সামনে। তবে চোট থেকে ফিরে এসে কতটা সাবলীলতা দেখাতে পারেন সেটা একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়। এছাড়া আরেকটি চ্যালেঞ্জের নাম জাস্টিন গাটলিন। এই বছর ১০০ মিটারে দ্রুততম মানবের নাম জাস্টিন।

মাইকেল ফেলপস:

অবসর থেকে ফিরে আসার পরে এটাই তার প্রথম অলিম্পিক। এবারের অলিম্পিক ফেলপসের পঞ্চম অলিম্পিক এবং কেরিয়ারে পাঁচ নম্বর অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করা দ্বিতীয় আমেরিকান সাঁতারু তিনি (ডারা টোরেস প্রথম)।

অসংখ্য বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী এই আমেরিকান অবশ্য বলেন, তিরিশে পা দেওয়ার পর তিনি যেন দ্রুততর হয়ে গেছেন। এতে বিন্দুমাত্রও সন্দেহ নেই যে ১৮টি স্বর্ণপদকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই  রিওতে অংশ নিচ্ছেন ফেলপস।

মো. ফারাহ:

মোহাম্মদ মুক্তার জামা ফারাহ। সকলেই পরিচিত মো. ফারাহ নামে। ৫০০০ ও ১০,০০০ মিটার অলিম্পিকের সেরা বাজি। লন্ডনের পর রিও। এই দুই ইভেন্টে সোনার পদক ধরে রাখার লক্ষ্যে নামবেন ফারাহ। ২০১৫ বেইজিং ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে ট্রিপল ডাবল সম্পূর্ণ করেছেন তিনি।

সেরেনা উইলিয়ামস:

উইম্বলডনের পরে আবার আরেকটি বড় মঞ্চ। সপ্তম উইম্বলডন জেতার পরে এবার অলিম্পিক পদক জয়ের এবং ধরে রাখার হাতছানি। এছাড়া বোনকে সঙ্গে নিয়ে ডাবলসে অলিম্পিকে চতুর্থবার সোনার পদক জেতার লক্ষ্য সেরেনার সামনে। ২২টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে স্টেফি গ্রাফকে ছুঁয়েছেন, তাই সেরেনাকে ঘিরে আশার পারদ চড়বে খুব স্বাভাবিক। আসরে এবার অনুপস্থিত মারিয়া শারাপোভা।

নেইমার:

গত বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ১-৭ গোলে হারের ধাক্কা কাটিয়ে এখনও সবকিছু সেভাবে গুছিয়ে উঠতে পারেনি ব্রাজিল। ২০১৮ ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ারেও এখন অবধি হতাশ হয়েছে তামাম ব্রাজিল ফ্যান। তবুও রিও অলিম্পিকে সকলের নজরে নেইমার। কারণ এখনও পর্যন্ত নেইমারের মানের কোনও ফুটবলার নেই অলিম্পিকে।

ব্রাজিলের পারফরম্যান্স শেষ কিছু টুর্নামেন্টে যেমনই হয়ে থাক না কেন, অলিম্পিকের মঞ্চ টিমের হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুত্থানের সাক্ষী হতেই পারে। কিন্তু ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০১২ বছরের তিন তিনবার ফাইনালে উঠেও সোনার পদক এখনও অধরা।  তাই ২০১৬ রিওতে অলিম্পিক হয়তো জন্ম দেবে নতুন রূপকথার।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: