তামিমের সাত শতক

বেস্ট বায়োস্কোপ, ঢাকা: ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি তামিম ইকবাল। সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সপ্তম সেঞ্চুরি

দেখুন ওয়ানডেতে তামিমের সাত সেঞ্চুরি

১. তামিম ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০০৮ সালের ২২ মার্চ মিরপুরে ১৩৬ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। সুযোগ ছিল সেসময় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর সাকিব আল হাসানের ১৩৫ রানের ইনিংসকে পেছনে ফেলার। মজার বিষয় হলো সেসময় উইকেটের অপর প্রান্তে সাকিব আল হাসানই ছিলেন। তবে সেবার রেকর্ডটি ভাঙা হয়নি তামিমের

রান    বল   ৬/৪         বিপক্ষ             ভেন্যু        সাল

১২৯  ১৩৬  ১/১৫     আয়ারল্যান্ড   ঢাকা       ২২ মার্চ, ২০০৮

২. তামিমে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি আসে এক বছর পরেই। এবার প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে খেলেন ১৫৪ রানের অতিমানবীয় এক ইনিংস। এতে করে ৩০০ এর বেশি রান করা জিম্বাবুয়ে সেদিন বাংলাদেশের কাছে হার মানে জিম্বাবুয়ে।

রান    বল   ৬/৪      বিপক্ষ        ভেন্যু        সাল

১৫৪  ১৩৮  ৬/৭      জিম্বাবুয়ে     বুলাওয়ে    ১৬ আগস্ট, ২০০৯

৩. এরপরের শতকের জন্য অবশ্য একবছর অপেক্ষা করতে হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে ১২০ বলে ১২৫ রান করে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম।

রান    বল   ৬/৪      বিপক্ষ        ভেন্যু        সাল

১২৫  ১২০   ৩/১৩    ইংল্যান্ড      ঢাকা       ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

 

৪. ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির জন্য অবশ্য অনেক অপেক্ষা করতে হয় তামিমের। কিছুদিন রানক্ষরায় ভুগতে থাকা তামিম কাঙ্খিত শতকের দেখা পান ২০১৩ সালে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাম্বানটোটায় ১৩৬ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলেন এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান।

রান    বল      ৬/৪       বিপক্ষ        ভেন্যু             সাল

১১২   ১৩৬   ১/১০     শ্রীলঙ্কা       হাম্বানটোটা   ২৩ মার্চ, ২০১৩

৫. এরপরের শতকের জন্য প্রায় দুই বছরের অপেক্ষা। ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তামিম। ১৩৫ বলে ১৩২ রান করা ইনিংসটিতে ছিল ৩টি ছক্কা ও ১৫টি বাউন্ডারি।

রান    বল       ৬/৪      বিপক্ষ        ভেন্যু        সাল

১৩২   ১৩৫   ৩/১৫    পাকিস্তান    ঢাকা         ১৭ মার্চ, ২০১৫

৬. ঠিক তার পরের ম্যাচেই আবারো সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। ১৯ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৭ বাউন্ডারি আর এক ওভার বাউন্ডারির মাধ্যমে করেন ১১৬ রান। ৩১ বলে ১২ চারে হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়ে থেমে থাকেননি তামিম। যদিও হাফসেঞ্চুরি পাওয়ার পর একটু স্লো খেলেছেন। রিয়াদ আউট হওয়ার পর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেছেন মুশফিক। অন্যদিকে তামিম ইকবাল খুব ধীর-স্থিরভাবেই সেঞ্চুরির পথে এগিয়েছেন।

শেষ পর্যন্ত জুনায়েদ খানের বলে ফাইন লেগে ফ্লিক করে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাতেই তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরিয়ানের খাতায় নাম লেখান তামিম।

রান    বল        ৬/৪      বিপক্ষ          ভেন্যু        সাল

১১৬   ১১৬    ১/১৭      পাকিস্তান     ঢাকা         ১৯ মার্চ ২০১৫

৭. সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ৭ম শতকটি তুলে নেন তামিম। ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১১৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান।

রান    বল         ৬/৪      বিপক্ষ                  ভেন্যু        সাল

১১৮   ১১৮    ২/১১      আফগানিস্তান      ঢাকা       ১ অক্টোবর ২০১৬

 

বেস্ট বায়োস্কোপ স্পোর্টস
৩ অক্টোবর ২০১৬

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: