প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট কোচ জেমি ডে

বেস্ট বায়োস্কোপ, ঢাকা: অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের পাঁচ দিনের ক্যাম্প আজ শেষ হয়েছে। ইনজুরিতে পড়ে ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরা যোগ দিতে পারেননি। ক্যাম্পে যোগ দেয়া ২৪ জনের মধ্যে ১১জনই নতুন। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শনিবার অনুশীলন শেষ করেন ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে। তবে প্রস্তুতির সময় কম পেলেও সন্তুষ্টিই ঝড়ছে কোচের কথায়।

ফেডারেশন কাপ শেষের পথে। ফুটবলাররা সবাই ক্লাবের সঙ্গেই রয়েছেন। অনুশীলনও করছেন। তাই ফুটবলাদের ফিটনেসে তেমন সমস্যা দেখেননি কোচ। ফলে কোচের কাজ কিছুটা সহজই হয়েছে। সবার আগ্রহ ও আন্তরিকতা দেখে কোচও বেশ খুশি। জেমির কথায়, নতুনদের দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। ওরা বেশ ভালো। এখন ওরা ক্লাবে ফিরে যাবে এবং নিজ নিজ একাদেশ থাকবে। বেঞ্চের ফুটবলাররা চেষ্টা করবে একাদেশ জায়গা করে নিতে। সামগ্রিকভাবে আমি এই ক্যাম্প করে খুবই খুশি।

ফেডারেশন কাপে পারফরমেন্স দেখে নতুনদের বেছে নিয়েছেন কোচ। আরামবাগের লেফট উইং আরিফ, রাইট ব্যাক রকিব, মিডফিল্ডার সুজন ও মাসুদ, সাইফ স্পোর্টিংয়ের গোলকিপার পাপ্পু, ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাত, রাফি, মিডফিল্ডার আল আমিন, ফরোয়ার্ড স্বাধীন, শেখ জামালের গোলকিপার নাঈম, ডিফেন্ডার মনির ও বসুন্ধরার কিংসের মিডফিল্ডার সোহান নতুন শিষ্য জেমি ডে’র।

জাতীয় দলের আবহের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর অভ্যাস তৈরির জন্যই এ ক্যাম্পের আয়োজন। তাদের খাওয়ার অভ্যাস, জিম ওয়ার্কসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন কোচ জেমি। ফুটবলাররা যেন এখন থেকেই মানসিক প্রস্তুতি নিতে পারেন। তাই ফেডারেশন কাপের মাঝপথে ক্যাম্প করেছেন কোচ।

ইংলিশ কোচ জেমি ডে এসেই তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা পেয়েছেন- এশিয়ান গেমস, সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। তিনটি আসরের মধ্যে কেবল এশিয়ান গেমসেই সাফল্য পেয়েছেন। আর এই অল্প সময়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তিনি। সবশেষ এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল নিয়েও প্রথম ধাপে কাজ শেষ করলেন।

জেমির মধ্যে নাকি সাবেক কোচ জর্জ কোটানের ছায়া দেখতে পান ইমন। তার কথায়, অল্প কিছুদিনের মধ্যে আমাদের তিনটি আসরে খেলিয়েছেন তিনি। সাফল্যও কিছু পেয়েছি আমরা। তিনি শুধু একজন কোচ নন, বন্ধুর মতোই। ক্যারিয়ারে অনেক কোচ পেয়েছি। তবে জেমির মধ্যে আমি জর্জ কোটানের ছায়া দেখতে পাই।

জাতীয় দলের অন্যতম গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানারও একই মত, জেমি ডে আসলে আমাদের কাছে বন্ধুর মতোই। তবে কাজের জায়গায় কোনও ছাড় নেই। কোচের সঙ্গে খেলোয়াড়দের সমস্যার কথা ভাগাভাগি করা যায়। এছাড়া তিনি নিজেও জানতে আগ্রহী থাকেন। খেলোয়াড়দের মনে কী আছে সেটাও জানতে চান। এতে করে খেলায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বেস্ট বায়োস্কোপ স্পোর্টস
১৮ নভেম্বর ২০১৮

Comments

comments

Leave a Reply

Share via
1 Share
%d bloggers like this: