বলিউডের ব্যয়বহুল সব আইটেম গান

বেস্ট বায়োস্কোপ, ঢাকা : দুর্ধর্ষ গল্প, দুরন্ত পরিচালনা, ফাটাফাটি অভিনয় সে সব তো পরের কথা। সিনেমা মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত সে সবের স্বাদ পাওয়া সম্ভব নয় সিনেপ্রেমীদের। ফিল্ম মুক্তির আগেই তাই চট জলদি দর্শকের মন জয় করতে একটা মারকাটারি গান একাই একশো।

সোশ্যাল মিডিয়ার ধুন্ধুমারের যুগে সিনেমার অনেক আগেই মুক্তি পেয়ে যায় ছবির গান। আর সেই গান একবার দর্শকদের হৃদয় ছুঁতে পারলেই বাজিমাত। গানের হাত ধরে সিনেমাও বেশ কিছুটা হিটের রাস্তায় এগিয়ে যায়। তাই ভাল অভিনয়ের পাশাপাশি, পরিচালকরা চান গান আর তার দৃশ্যায়নটা যেন নিখুঁত হয় সে বিষয়টাতে গুরুত্ব দেন।

আর সেজন্যই একটি গানের পেছনে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ফেলেন তারা। বলিউডের এমনই বেশ কয়কটি এক্সপেনসিভ গানের খরচের বহরটা শুনলে চোখ কপালে উঠবে।

পার্টি অল নাইট: ‘বস’ রিলিজ করার আগেই সুপার হিট ‘পার্টি অল নাইট’। এই গানে অক্ষয় কুমার আর সোনাক্ষী সিনহার সঙ্গে ৬০০ জন বিদেশি ডান্সারও নেচেছেন। ব্যাংকক-এর একটি পাবে গানটির শুটিং হয়েছিল। খরচ হয়েছিল ৬ কোটি টাকা।

মালাঙ্গ: ‘ধুম ৩’-এ ‘মালাঙ্গ’ গানে বড় পর্দায় ধুম মাচিয়েছিলেন আমির-ক্যাটরিনা। কিন্তু তাদের এই কসরতের পিছনে প্রযোজকের পকেটটি বেশ ভাল রকমই ফাঁকা হয়েছিল। ৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল এই গানের শুটিংয়ে। ‘মালাঙ্গ’-এর জন্য ২০০ জন জিমন্যাস্টকে ২০ দিন ধরে মুম্বাইতে স্পেশ্যাল ট্রেনিংও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গানটির শুটিং হয়েছিল আমেরিকায়। শুধু এই গানটিরই শুটিং চলেছিল ২০ দিন ধরে।

থা করকে: গোলমাল সিরিজের অন্যতম সফল সিনেমা ‘গোলমাল রিটার্নস’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগেই হিট করেছিল ‘থা করকে’। ১০০০ জন ব্যাক-আপ ডান্সার ছিল গানটিত। ছিলেন ১৮০ জন ফাইটার আর ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি। ১২ দিন ধরে শুট হয়েছিল ‘থা করকে’। খরচ হয়েছিল ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

স্যাটারডে স্যাটারডে: ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’ বক্স অফিসে ডাহা ফেল। কিন্তু ইয়ং জেনারেশনের মন ভরিয়ে ছিল ‘স্যাটারডে স্যাটারডে’। খরচ হয়েছিল ৩ কোটি টাকা। আলিয়া ভট্ট আর বরুণ ধাওয়ানের কস্টিউম থেকে ডান্স ফ্লোর সবটাই নজর কেড়েছিল দর্শকদের।

রাধা নাচেগি: ‘তেভর’ ছবির এই গানে পর্দায় আগুন লাগিয়েছিলেন সোনাক্ষী সিনহা। গানে সোনাক্ষী যে সাদা লেহেঙ্গা পরেছিলেন শুধু সেটারই দাম ছিল ৭৫ লক্ষ টাকা। সোনাক্ষীর সঙ্গে ছিলেন ১০০ জন ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার। গানটি শুট করতে খরচ পড়েছিল ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। যদিও বক্স অফিসে একেবারেই জমাতে পারেননি ‘তেভর’।

পিয়া কে বাজার: ‘হামশকলস’ ছবিটি যতই দর্শকের মন ভাঙুক না কেন গানটি কিন্তু বেশ পছন্দ হয়েছিল সিনেপ্রেমীদের। ৫০০ জন ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার ছিলেন এই গানে। মোট খরচ পড়েছিল ২ কোটি টাকা।

জিলেপি  বাঈ: ‘ডবল ধামাল’ ছবিটি কবে হলে এসেছে, কবে গিয়েছে খেয়ালই রাখেননি দর্শকরা। কিন্তু সুপার হিট ‘জলেবি বাঈ’ আর মল্লিকা শেরাওয়াতকে অত সহজে ভোলা যাবে না। ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করে গানটির শুটিং করা হয়েছিল। সম্পূর্ণ একটি ক্যাসিনো তৈরি করা হয়েছিল স্টুডিওর ভিতরে!

বেস্ট বায়োস্কোপ বিনোদন
২৫ নভেম্বর ২০১৬

Comments

comments

Leave a Reply

0 Shares
Share via
%d bloggers like this: